মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য সংঘাত আরও বাড়ার আশঙ্কায় ইসরায়েলে অতিরিক্ত সেনা ও সামরিক বিমান পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (৫ অক্টোবর) ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়ালার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি।
বেনামি নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে ওয়ালা জানিয়েছে, বর্তমানে ইসরায়েলজুড়ে প্রায় ৩ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। তারা বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা, পাইলট ও সহায়তা কার্যক্রম, রসদ সরবরাহ এবং সামরিক সদর দপ্তরের বিভিন্ন দায়িত্বে নিয়োজিত। নিয়মিত সেনা আবর্তনের অংশ হিসেবে আগামীতে আরও মার্কিন সেনা ও যুদ্ধবিমান ইসরায়েলে পৌঁছাবে।
ইসরায়েলের এক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের দিকে নজর রাখছে প্রতিপক্ষরা। একই সঙ্গে সংঘাত সরাসরি না বাড়িয়ে কীভাবে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করা যায়, তা তারা মূল্যায়ন করছে। ওই কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেন, এবার ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া ‘অত্যন্ত আক্রমণাত্মক’ হবে।
ইরানের সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতির আশঙ্কায় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) সঙ্গে সামরিক সমন্বয় অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। এর আগে সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে কাতারের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার বিষয়ে ইরান সাতটি শর্ত দিলেও সেগুলো প্রত্যাখ্যান করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, কূটনৈতিক পথে ন্যায্য সমাধানে পৌঁছাতে প্রস্তুত তেহরান।
এদিকে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাত আঞ্চলিক জোটের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তারা। বিশেষ করে সেপ্টেম্বরে হুথিরা আল হুদাইদাহ, তাইজ ও বাব আল-মান্দেব প্রণালীর কাছের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সমন্বিত পদক্ষেপের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
