আন্তর্জাতিকAug 21, 20264 min read

নতুন যুদ্ধ শুরু হলে আরও উন্নত ও বিধ্বংসী অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি ইরানের আইআরজিসির দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্কআন্তর্জাতিক|আন্তর্জাতিক

নতুন যুদ্ধ শুরু হলে আগের সংঘাতের তুলনায় আরও উন্নত ও বিধ্বংসী অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পস।

শেয়ার করুন:
নতুন যুদ্ধ শুরু হলে আরও উন্নত ও বিধ্বংসী অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি ইরানের আইআরজিসির দাবি

নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে আগের সংঘাতের তুলনায় আরও উন্নত ও বেশি বিধ্বংসী অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্পস। আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহসেন মোহেবি বলেছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রে ব্যবহৃত নতুন ধরনের ওয়ারহেডের ধ্বংসক্ষমতা আগের যুদ্ধগুলোতে ব্যবহৃত ওয়ারহেডের তুলনায় অনেক বেশি। তবে এসব অস্ত্রের ধরন, সংখ্যা বা নির্দিষ্ট সক্ষমতা সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য নতুন সংঘাতে ইরান আগের মতো একই ধরনের সামরিক সক্ষমতার ওপর নির্ভর করবে না; বরং যুদ্ধের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আরও শক্তিশালী ও ভিন্ন ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করবে। ইরানি কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সংঘাতের অভিজ্ঞতা দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা পুনর্গঠন এবং উন্নত করার কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। এর আগে আইআরজিসি দাবি করেছিল, তাদের কিছু ক্ষেপণাস্ত্রে উড্ডয়নের মাঝপথে দিক পরিবর্তন এবং নির্দেশনা ব্যবস্থার সক্ষমতা যুক্ত করা হয়েছে।

এর অর্থ, ইরান ভবিষ্যৎ সংঘাতের ক্ষেত্রে শুধু অস্ত্রের সংখ্যা বাড়ানোর পরিবর্তে নির্ভুলতা, নিয়ন্ত্রণ ও আঘাতের সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে বলে তাদের বক্তব্য থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তবে এসব দাবির প্রকৃত সামরিক সক্ষমতা, অস্ত্রের সংখ্যা, উৎপাদনের পরিমাণ কিংবা নতুন ওয়ারহেডের কার্যকারিতা সম্পর্কে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য প্রকাশ্যে নেই। ফলে আইআরজিসির বক্তব্যকে ইরানের সরকারি সামরিক অবস্থান ও সতর্কবার্তা হিসেবেই বিবেচনা করা প্রয়োজন। এই হুঁশিয়ারি এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা এবং কূটনৈতিক উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। তেহরানও সাম্প্রতিক সময়ে ইঙ্গিত দিয়েছে যে ভবিষ্যতে সংঘাত শুরু হলে তাদের প্রতিক্রিয়া আগের তুলনায় ভিন্ন হতে পারে।

ইরানের সামরিক বক্তব্যের মূল তাৎপর্য তাই শুধু নতুন অস্ত্র ব্যবহারের দাবি নয়; বরং সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ সংঘাতে প্রতিপক্ষকে আরও বড় সামরিক ঝুঁকির মুখে পড়ার বার্তা দেওয়া। একই সঙ্গে যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে নিজেদের সামরিক প্রযুক্তি ও কৌশল পরিবর্তনের দাবিও এতে স্পষ্ট হচ্ছে। তবে বাস্তবে এসব পরিবর্তন কতটা কার্যকর এবং নতুন অস্ত্রের ধ্বংসক্ষমতা কতটা বেড়েছে, তা নির্ভরযোগ্যভাবে যাচাই না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়। ফলে আইআরজিসির এই বক্তব্যকে সরাসরি সামরিক সক্ষমতার প্রমাণ হিসেবে নয়, বরং সম্ভাব্য নতুন সংঘাতের ক্ষেত্রে ইরানের প্রতিরোধক্ষমতা ও প্রতিশোধের মাত্রা সম্পর্কে একটি কঠোর রাজনৈতিক ও সামরিক সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সম্পর্কিত খবর

হাইতিতে জাতিসংঘ-সমর্থিত গ্যাং দমন বাহিনীতে ১,৫০০ সদস্য পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ

হাইতিতে সশস্ত্র গ্যাং দমনে জাতিসংঘ-সমর্থিত বাহিনীতে প্রায় ১,৫০০ বাংলাদেশি সদস্য পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ, যা বড় আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মোতায়েন।

কলকাতায় অগ্নিকান্ডের পর আতঙ্কে তড়িঘড়ি করে দেশে ফিরছেন বাংলাদেশি পর্যটকরা ।

কলকাতার অগ্নিকাণ্ডে ৭ বাংলাদেশিসহ ৯ জন নিহতের পর নিরাপত্তা উদ্বেগে বাংলাদেশি পর্যটকদের অনেকে সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরছেন।

যুক্তরাষ্ট্র-চীন দ্বন্দ্বে দক্ষিণ কোরিয়াকেনিরপেক্ষ থাকার আহ্বান চীনের

যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দক্ষিণ কোরিয়াকে ভারসাম্যপূর্ণ থাকার আহ্বান জানিয়েছে চীন। একই সঙ্গে দুই কোরিয়ার সংলাপ পুনরায় শুরুর আহ্বানও জানানো হয়েছে।