জাতীয়Jul 28, 20264 min read

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের ফোনালাপ; জ্বালানি, বিনিয়োগ ও কৌশলগত সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা ।

স্টাফ রিপোর্টাররিপোর্টার|জাতীয়

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর ফোনালাপে জ্বালানি, বিনিয়োগ, বন্দর সহযোগিতা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, যা অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করতে পারে।

শেয়ার করুন:
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের ফোনালাপ; জ্বালানি, বিনিয়োগ ও কৌশলগত সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা ।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের মধ্যে টেলিফোনে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনার মূল বিষয় ছিল দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা আরও গভীর করা। উভয় নেতা বাংলাদেশ–মালয়েশিয়া সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন। আলোচনায় বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা বিশেষ গুরুত্ব পায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি প্রতিষ্ঠান পেট্রোনাসের মাধ্যমে বাংলাদেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহে সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি বলেন, দেশের শিল্প, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখতে নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে দুই নেতা অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করেন। মালয়েশিয়ার টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান অ্যাক্সিয়াটা গ্রুপের বাংলাদেশে চলমান বিনিয়োগ এবং ভবিষ্যতে বিনিয়োগ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় হয়। এছাড়া মালয়েশিয়ার বন্দর পরিচালনা প্রতিষ্ঠান এমএমসি পোর্ট হোল্ডিংসের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্ভাব্য কৌশলগত বন্দর সহযোগিতার বিষয়ও আলোচনায় গুরুত্ব পায়। উভয় পক্ষের মতে, বন্দর উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং বাণিজ্যিক অবকাঠামো সম্প্রসারণের মাধ্যমে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করা সম্ভব।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে তার সরকারের আগ্রহের কথা জানান। বিশ্লেষকদের মতে, এই উচ্চপর্যায়ের টেলিফোন আলাপ শুধু দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককেই শক্তিশালী করবে না, বরং ভবিষ্যতে জ্বালানি নিরাপত্তা, বিদেশি বিনিয়োগ, শিল্প উন্নয়ন, বন্দর ব্যবস্থাপনা এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের নতুন সুযোগও সৃষ্টি করতে পারে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার ভিত্তি আরও মজবুত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, উভয় নেতা পারস্পরিক আস্থা, সম্মান এবং অভিন্ন উন্নয়নের লক্ষ্য সামনে রেখে ভবিষ্যতেও নিয়মিত যোগাযোগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

সম্পর্কিত খবর

ভারত-যুক্তরাষ্ট্র কারও আধিপত্য মেনে নেবে না বাংলাদেশ: নাহিদ ইসলাম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ ভারত বা যুক্তরাষ্ট্র কারও আধিপত্য মেনে নেবে না। তিনি স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ ভিসা সুবিধা ঘোষণা করল চীন।

চীন ১৪০তম ক্যান্টন মেলাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ ভিসা সুবিধা ঘোষণা করেছে, যা ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ সহজ করবে।

কোকরোচ আন্দোলনের পর বেছে বেঁচে মুসলিমদের হয়রানি ও নির্যাতন করছে মোদি সরকার।

দিল্লির আন্দোলনের স্বেচ্ছাসেবক মোহাম্মদ জুনায়েদকে ঘিরে পুলিশি তৎপরতা এবং কলকাতার গ্রেপ্তার নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে, যা নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জোরালো করেছে।