জাতীয়Jul 28, 20264 min read

ভারত-যুক্তরাষ্ট্র কারও আধিপত্য মেনে নেবে না বাংলাদেশ: নাহিদ ইসলাম

মতামত বিভাগমতামত|জাতীয়

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ ভারত বা যুক্তরাষ্ট্র কারও আধিপত্য মেনে নেবে না। তিনি স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

শেয়ার করুন:
ভারত-যুক্তরাষ্ট্র কারও আধিপত্য মেনে নেবে না বাংলাদেশ: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় প্রধান হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ কোনো বিদেশি শক্তির আধিপত্য মেনে নেবে না। তার ভাষায়, বাংলাদেশ যেমন ভারতের আধিপত্য মেনে নেবে না, তেমনি যুক্তরাষ্ট্রেরও কোনো প্রভাবশালী অবস্থান গ্রহণ করবে না। মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় ছাত্রশক্তি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। নাহিদ ইসলামের মতে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল কেবল একটি রাজনৈতিক আন্দোলন নয়; এটি ছিল গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, সীমান্ত নিরাপত্তা, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি এবং আন্তঃসীমান্ত নদীর পানিতে বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার দাবিতে পরিচালিত একটি বৃহত্তর জাতীয় আন্দোলন। তিনি দাবি করেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই জনগণ সেই আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক পরিবর্তন এলেও আন্দোলনের বহু প্রত্যাশা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। জনগণের আশা ও বাস্তব অর্জনের মধ্যে এখনো উল্লেখযোগ্য ব্যবধান রয়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশার সৃষ্টি হয়েছে। তার মতে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান এখনো একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং জনগণের দেওয়া ম্যান্ডেট পুরোপুরি বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলনের লক্ষ্য পূর্ণ হবে না। তিনি বিশেষভাবে প্রথমবারের মতো ভোট দিতে যাওয়া তরুণ ভোটারদের সচেতন, দায়িত্বশীল ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে তরুণদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বক্তব্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকারও প্রশংসা করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবদান জাতি দীর্ঘদিন স্মরণ রাখবে, যদিও বিভিন্ন সময়ে সেই অবদানের যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি। এ কারণে তিনি সরকারের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নের ওপর জোর দিয়ে বলেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, মূল্যবোধসম্পন্ন, দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে তোলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার, উপাচার্য ও শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং বিধিভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন আব্দুল্লাহ আল আমিন, অধ্যাপক ড. সাবিনা শারমিন, অধ্যাপক মো. নাসির উদ্দিন, জাহিদ আহসান, আবু বাকের মজুমদার এবং রিয়াজুল ইসলাম। পুরো অনুষ্ঠানে বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় স্বাধীন নীতি অনুসরণের গুরুত্ব নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।

সম্পর্কিত খবর

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের ফোনালাপ; জ্বালানি, বিনিয়োগ ও কৌশলগত সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা ।

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর ফোনালাপে জ্বালানি, বিনিয়োগ, বন্দর সহযোগিতা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, যা অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করতে পারে।

বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ ভিসা সুবিধা ঘোষণা করল চীন।

চীন ১৪০তম ক্যান্টন মেলাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ ভিসা সুবিধা ঘোষণা করেছে, যা ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ সহজ করবে।

কোকরোচ আন্দোলনের পর বেছে বেঁচে মুসলিমদের হয়রানি ও নির্যাতন করছে মোদি সরকার।

দিল্লির আন্দোলনের স্বেচ্ছাসেবক মোহাম্মদ জুনায়েদকে ঘিরে পুলিশি তৎপরতা এবং কলকাতার গ্রেপ্তার নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে, যা নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জোরালো করেছে।