জাতীয়Jul 7, 20264 min read

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সেনাপ্রধান আজ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করেন।

স্টাফ রিপোর্টাররিপোর্টার|জাতীয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সেনাপ্রধান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন সামরিক মহড়া পরিদর্শন করেছেন। এতে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও যুদ্ধ প্রস্তুতির বিভিন্ন অনুশীলন প্রদর্শিত হয়।

শেয়ার করুন:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সেনাপ্রধান আজ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সেনাপ্রধানের সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন সামরিক মহড়া পরিদর্শন করেছেন। দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, যুদ্ধ প্রস্তুতি জোরদার এবং আধুনিক সামরিক কৌশলের কার্যকারিতা মূল্যায়নের উদ্দেশ্যে আয়োজিত এই মহড়ায় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট অংশগ্রহণ করে। মহড়ার বিভিন্ন ধাপে বাস্তবসম্মত যুদ্ধ পরিস্থিতির অনুকরণে পরিকল্পিত অভিযান পরিচালনা করা হয়, যেখানে সাঁজোয়া যান, গোলন্দাজ ইউনিট, বিশেষ বাহিনী এবং বিভিন্ন কৌশলগত ইউনিট সমন্বিতভাবে নিজেদের সক্ষমতা প্রদর্শন করে। এই অনুশীলনের মাধ্যমে বাহিনীর সমন্বিত অভিযান পরিচালনার দক্ষতা, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা, আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতি এবং বিভিন্ন ইউনিটের পারস্পরিক সমন্বয় যাচাই করা হয়। মহড়া পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেনাবাহিনীর সদস্যদের পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ এবং দক্ষতার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অতীতের মতো বর্তমানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও একই নিষ্ঠা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সেনাপ্রধান মহড়ার বিভিন্ন ধাপ, কৌশলগত পরিকল্পনা এবং অনুশীলনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারিত অবহিত করেন। তিনি জানান, আধুনিক যুদ্ধের পরিবর্তিত বাস্তবতা, নতুন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ এবং সমন্বিত সামরিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই নিয়মিতভাবে এ ধরনের মহড়ার আয়োজন করা হচ্ছে। তার মতে, বাস্তব পরিস্থিতির অনুকরণে পরিচালিত এই অনুশীলন সেনাসদস্যদের প্রস্তুতি, সমন্বয়, নেতৃত্বের দক্ষতা এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া প্রদানের সক্ষমতা আরও উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মহড়ার বিভিন্ন পর্যায়ে অংশগ্রহণকারী ইউনিটগুলো কৌশলগত অভিযান, প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান গ্রহণ, সমন্বিত আক্রমণ পরিচালনা এবং বিভিন্ন পরিস্থিতিতে দ্রুত মোতায়েনের সক্ষমতা প্রদর্শন করে, যা উপস্থিত অতিথিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর সার্বিক প্রস্তুতি, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এবং আধুনিকায়নের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, যুগোপযোগী ও কার্যকর করে গড়ে তুলতে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, সরকারি প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই পরিদর্শন দেশের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি, সামরিক সক্ষমতা উন্নয়ন এবং পেশাদার প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের প্রতি সরকারের গুরুত্বের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সম্পর্কিত খবর

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তুরস্কের আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

গাজামুখী ত্রাণবহরে ইসরায়েলি বাহিনীর বাধার অভিযোগে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে তুরস্ক।

বাংলাদেশ থেকে যাওয়া হিন্দু শরণার্থীদের ছয় মাসের মধ্যে নাগরিকত্ব দিবে ভারত: অমিত শাহ।

বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়া হিন্দু শরণার্থীদের ৬ মাসের মধ্যে নাগরিকত্ব দেওয়ার লক্ষ্য ঘোষণা করেছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

হিন্দু উগ্রবাদী আরএসএস নেতাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আহ্বান

যুক্তরাষ্ট্রের ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশন আরএসএস নেতাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার আহ্বান জানিয়েছে। মোহন ভাগবতের সম্ভাব্য সফর ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্কে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

ইসরায়েলের ‘ই-১’ বসতি পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ৮ মুসলিম দেশের কঠোর অবস্থান

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের ই-১ বসতি পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছে ৮ মুসলিম দেশ। তারা ১,২০০ আবাসন ইউনিটের উদ্যোগ বাতিল ও আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে।